কৃষি প্রযুক্তি ভাণ্ডার
প্রযুক্তির বিবরণ
প্রযুক্তির নাম :বারি আলু রোপণ যন্ত্র
বিস্তারিত বিবরণ :
আলু শীতকালীন ও স্বল্পমেয়াদি ফসল। বাংলাদেশে ৪.৬৪ লক্ষ হেক্টর জমিতে আলু আবাদ করা হয় এবং তা থেকে প্রায় ১০২ লক্ষ টন আলু উৎপাদিত হয়ে থাকে। এসব আলুর প্রায় সবটাই হাতে লাগোনো হয়। অল্প সময়ের মধ্যে আলু রোপণ করতে হয়। প্রচলিত পদ্ধতি ধীরগতি সম্পন্ন, ব্যয়বহুল ও অনেক শ্রমিকের প্রয়োজন হয়। দেশের প্রত্যন্ত এলাকাতে পাওয়ার টিলার (১২-১৬ অশ্বশক্তি) পাওয়া যায়, তাই আলু রোপণ যন্ত্র পাওয়ার টিলারকে কাজে লাগিয়ে ব্যবহার করা যায়। এতে একদিকে পাওয়ার টিলারের বহুমুখী ব্যবহার বেড়েছে, অন্যদিকে কৃষকগণ অল্প খরচে শক্তিচালিত যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে পারছেন। এ বিষয় বিবেচনায় রেখে পাওয়ার চালিত বারি আলু রোপণ যন্ত্র উদ্ভাবন করা হয়েছে। এ যন্ত্রে লাগানো আলুর সারি থেকে দূরত্ব: ৬০ সেমি ও বীজ থেকে বীজের দূরত্ব: ১৫-২০ সেমি।
বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১। যন্ত্রটি পাওয়ার টিলার (ডংফেং ও সাইফেং) চালিত
২। আস্ত ও কাটা আলু (১/৪ ভাগ) উভয়ই রোপণ করা যায়
৩। সারি থেকে সারির দূরত্ব ও আলু লাগানোর গভীরতা নিয়ন্ত্রণযোগ্য
৪। শ্রমিক ঘাটতি মোকাবেলা করে আলু চাষ লাভজনক করে।
৫। যন্ত্র দিয়ে এক হেক্টরে শ্রমিক লাগে ৪ জন অথচ প্রচলিত পদ্ধতিতে হাতে লাগাতে শ্রমিক লাগে ৬০ জন।
৬। এ যন্ত্রে এক হেক্টর জমিতে আলু লাগাতে খরচ হয় ৪,৮০৪ টাকা যা হাতে লাগাতে খরচ হয় ১৪,৭৮০ টাকা। অর্থাৎ ৬৭% খরচ সাশ্রয় হয়।
৭। কার্যক্ষমতা : ০.১ হেক্টর/ঘন্টা (২৫ শতাংশ/ঘন্টা)
৮। মূল্য : ৭০,০০০.০০ টাকা (পাওয়ার টিলার বাদে)
বারি আলু রোপণ যন্ত্র
প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন।
বিস্তারিত বিবরণ :
আলু শীতকালীন ও স্বল্পমেয়াদি ফসল। বাংলাদেশে ৪.৬৪ লক্ষ হেক্টর জমিতে আলু আবাদ করা হয় এবং তা থেকে প্রায় ১০২ লক্ষ টন আলু উৎপাদিত হয়ে থাকে। এসব আলুর প্রায় সবটাই হাতে লাগোনো হয়। অল্প সময়ের মধ্যে আলু রোপণ করতে হয়। প্রচলিত পদ্ধতি ধীরগতি সম্পন্ন, ব্যয়বহুল ও অনেক শ্রমিকের প্রয়োজন হয়। দেশের প্রত্যন্ত এলাকাতে পাওয়ার টিলার (১২-১৬ অশ্বশক্তি) পাওয়া যায়, তাই আলু রোপণ যন্ত্র পাওয়ার টিলারকে কাজে লাগিয়ে ব্যবহার করা যায়। এতে একদিকে পাওয়ার টিলারের বহুমুখী ব্যবহার বেড়েছে, অন্যদিকে কৃষকগণ অল্প খরচে শক্তিচালিত যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে পারছেন। এ বিষয় বিবেচনায় রেখে পাওয়ার চালিত বারি আলু রোপণ যন্ত্র উদ্ভাবন করা হয়েছে। এ যন্ত্রে লাগানো আলুর সারি থেকে দূরত্ব: ৬০ সেমি ও বীজ থেকে বীজের দূরত্ব: ১৫-২০ সেমি।
বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১। যন্ত্রটি পাওয়ার টিলার (ডংফেং ও সাইফেং) চালিত
২। আস্ত ও কাটা আলু (১/৪ ভাগ) উভয়ই রোপণ করা যায়
৩। সারি থেকে সারির দূরত্ব ও আলু লাগানোর গভীরতা নিয়ন্ত্রণযোগ্য
৪। শ্রমিক ঘাটতি মোকাবেলা করে আলু চাষ লাভজনক করে।
৫। যন্ত্র দিয়ে এক হেক্টরে শ্রমিক লাগে ৪ জন অথচ প্রচলিত পদ্ধতিতে হাতে লাগাতে শ্রমিক লাগে ৬০ জন।
৬। এ যন্ত্রে এক হেক্টর জমিতে আলু লাগাতে খরচ হয় ৪,৮০৪ টাকা যা হাতে লাগাতে খরচ হয় ১৪,৭৮০ টাকা। অর্থাৎ ৬৭% খরচ সাশ্রয় হয়।
৭। কার্যক্ষমতা : ০.১ হেক্টর/ঘন্টা (২৫ শতাংশ/ঘন্টা)
৮। মূল্য : ৭০,০০০.০০ টাকা (পাওয়ার টিলার বাদে)
বারি আলু রোপণ যন্ত্র
প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন।