কৃষি প্রযুক্তি ভাণ্ডার
প্রযুক্তির বিবরণ
প্রযুক্তির নাম :কাটিং পদ্ধতীতে আলুবোখারার চারা উৎপাদন
বিস্তারিত বিবরণ :
বিস্তারিত বিবরণ : আলুবোখারা অত্যন্ত সুস্বাদু বৃক্ষজাতীয় মসলা ফসল। মসলা গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, শিবগঞ্জ, বগুড়া কর্তৃক বারি আলুবোখারা-১ নামে একটি জাত অবমৃক্ত করা হয়েছে। কিন্তু উক্ত জাতের চারা উৎপাদন করা অত্যন্ত কষ্টসাদ্ধ। সাধারণত ৩০০০ পিপিএম আইবিএ দ্রবণ ব্যবহার করে গুটি কলম করা হয় যার সফলতার হার প্রায় ৭০% এবং উৎপাদিত চরা গাছ থেকে কেঁটে নেয়ার পর প্রায় ৩০-৪০% মরে যায়। তাছাড়া গুটি কলম করতে একটি বড় ডাল হতে মাত্র একটিই চারা উৎপাদন করা সম্ভব হয়। এমতাবস্থায় দ্রুত সময়ে অধিক সংখ্যক চারা উৎপাদনে কাটিং পদ্ধতীতে চারা উৎপাদনের কোন বিকল্প নেই।
আলুবোখারর কাটিং করার সর্বোত্তম সময় হল ১লা নভেম্বর থেকে ১৫ নভেম্বর। বিশেষ করে শীতের শুরুতে তাপমাত্রা যখন প্রায় ১৮ ডিগ্রী সেলসিয়াসে নামা শুরু করে। তাছাড়া, ৩০০০ পিপিএম আইবিএ এবং ৬-≠৮ মিমি. ব্যাসের শাখা কটিং এর জন্য সর্বোত্তম। প্রথমে, আলুবোখারার শাখাগুলিকে ১২ ইঞ্চি দৈর্ঘ্যে কাটতে হবে। তারপর কাটিংগুলি পরিষ্কার জলে ধুয়ে ছত্রাকনাশক দ্রবণে (কারবেন্ডাজিম @ ২ গ্রাম/লি.) ৫ মিনিটের জন্য ভিজিয়ে রাখতে হবে। পরিশোধিত কাটিংগুলি শুকানোর জন্য ১০-১৫ মিনিট ছায়ায় রাখতে হবে। এরপর, কাটিং গুলির গোড়ার অংশ ৩০০০ পিপিএম আইবিএ দ্রবণে ২০ মিনিটের জন্য ভিজিয়ে রাখতে হবে। তারপর ছায়াযুক্ত জায়গায় নার্সারী বেড সরাসরি মাটিতে/ পলিব্যাগে কাটিং গুলি রোপণ করে বড় পলিথিন দিয়ে ছাউনি আকারে ঢেকে বায়ুরুদ্ধ অবস্থায় রেখে দিতে হবে প্রায় ২-৩ মাস। কাটিং হতে শাখা গজিয়ে ৪-৬ ইঞ্চি হলে পলিথিন ছাউনি সরিয়ে নিতে হবে। সরাসরি মাটিতে রোপনকৃত কাটিং শাখা গজিয়ে গেলে গোড়ার মাটি সহ তুলে পলিব্যাগে রোপন করা যাবে।
প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্য :
• প্রযুক্তিটি দেশের সকল অঞ্চলের জন্য উপযোগী।
• এই প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে খুব সহজেই অল্প সময়ে অধিক সংখ্যক আলুবোখারার চারা উৎপাদন করা সম্ভব।
• এই প্রযুক্তি ব্যবহারে আলুবোখারার কাটিং হতে চারা উৎপাদনের সফলাতার হার 90-97%।
• এই প্রযুক্তি ব্যবহারে আলুবোখারার উৎপাদিত চারার মাঠে রোপনের পর বেঁচে থাকার হার প্রায় শতভাগ।
কাটিং এর মাধ্যমে উৎপাদিত আলুবোখারার চারা
প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন।
বিস্তারিত বিবরণ :
বিস্তারিত বিবরণ : আলুবোখারা অত্যন্ত সুস্বাদু বৃক্ষজাতীয় মসলা ফসল। মসলা গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, শিবগঞ্জ, বগুড়া কর্তৃক বারি আলুবোখারা-১ নামে একটি জাত অবমৃক্ত করা হয়েছে। কিন্তু উক্ত জাতের চারা উৎপাদন করা অত্যন্ত কষ্টসাদ্ধ। সাধারণত ৩০০০ পিপিএম আইবিএ দ্রবণ ব্যবহার করে গুটি কলম করা হয় যার সফলতার হার প্রায় ৭০% এবং উৎপাদিত চরা গাছ থেকে কেঁটে নেয়ার পর প্রায় ৩০-৪০% মরে যায়। তাছাড়া গুটি কলম করতে একটি বড় ডাল হতে মাত্র একটিই চারা উৎপাদন করা সম্ভব হয়। এমতাবস্থায় দ্রুত সময়ে অধিক সংখ্যক চারা উৎপাদনে কাটিং পদ্ধতীতে চারা উৎপাদনের কোন বিকল্প নেই।
আলুবোখারর কাটিং করার সর্বোত্তম সময় হল ১লা নভেম্বর থেকে ১৫ নভেম্বর। বিশেষ করে শীতের শুরুতে তাপমাত্রা যখন প্রায় ১৮ ডিগ্রী সেলসিয়াসে নামা শুরু করে। তাছাড়া, ৩০০০ পিপিএম আইবিএ এবং ৬-≠৮ মিমি. ব্যাসের শাখা কটিং এর জন্য সর্বোত্তম। প্রথমে, আলুবোখারার শাখাগুলিকে ১২ ইঞ্চি দৈর্ঘ্যে কাটতে হবে। তারপর কাটিংগুলি পরিষ্কার জলে ধুয়ে ছত্রাকনাশক দ্রবণে (কারবেন্ডাজিম @ ২ গ্রাম/লি.) ৫ মিনিটের জন্য ভিজিয়ে রাখতে হবে। পরিশোধিত কাটিংগুলি শুকানোর জন্য ১০-১৫ মিনিট ছায়ায় রাখতে হবে। এরপর, কাটিং গুলির গোড়ার অংশ ৩০০০ পিপিএম আইবিএ দ্রবণে ২০ মিনিটের জন্য ভিজিয়ে রাখতে হবে। তারপর ছায়াযুক্ত জায়গায় নার্সারী বেড সরাসরি মাটিতে/ পলিব্যাগে কাটিং গুলি রোপণ করে বড় পলিথিন দিয়ে ছাউনি আকারে ঢেকে বায়ুরুদ্ধ অবস্থায় রেখে দিতে হবে প্রায় ২-৩ মাস। কাটিং হতে শাখা গজিয়ে ৪-৬ ইঞ্চি হলে পলিথিন ছাউনি সরিয়ে নিতে হবে। সরাসরি মাটিতে রোপনকৃত কাটিং শাখা গজিয়ে গেলে গোড়ার মাটি সহ তুলে পলিব্যাগে রোপন করা যাবে।
প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্য :
• প্রযুক্তিটি দেশের সকল অঞ্চলের জন্য উপযোগী।
• এই প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে খুব সহজেই অল্প সময়ে অধিক সংখ্যক আলুবোখারার চারা উৎপাদন করা সম্ভব।
• এই প্রযুক্তি ব্যবহারে আলুবোখারার কাটিং হতে চারা উৎপাদনের সফলাতার হার 90-97%।
• এই প্রযুক্তি ব্যবহারে আলুবোখারার উৎপাদিত চারার মাঠে রোপনের পর বেঁচে থাকার হার প্রায় শতভাগ।
কাটিং এর মাধ্যমে উৎপাদিত আলুবোখারার চারা
প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন।