কৃষি প্রযুক্তি ভাণ্ডার
প্রযুক্তির বিবরণ
প্রযুক্তির নাম :ডগা কর্তনের মাধ্যমে মিষ্টিকুমড়ার ফলন ও কৃষকের আয় বৃদ্ধি
বিস্তারিত বিবরণ :
প্রযুক্তি ব্যবহারের তথ্য:
• পলিব্যাগে মিষ্টিকুমড়ার চারা করে ২০-২৫ দিন বয়সের চারা মাদায় (৫০×৫০×৫০ সে.মি.) স্থাপন করতে হবে।
• চারা ৮-১২ পাতা অবস্থায় প্রধান ডগার অগ্রভাগের অংশ (০.৫ ইঞ্চি) পরিমাণ ভেঙ্গে দিতে হবে।
• এ প্রক্রিয়া তৃতীয়বার পর্যন্ত করতে হবে যা ৩জি পদ্ধতি নামে পরিচিত।
• চারার বয়স ৪৫ দিন হলে অর্থাৎ প্রথম বার ফল ধারনের পর প্রতিটির ডগার ১০-১২ ইঞ্চি পরিমাণ (শাক খাওয়ার উপযোগী) কেটে নিতে হবে, যা পরবর্তীতে ডগার সংখ্যা বৃদ্ধি ও ফলের উৎপাদন বৃদ্ধি করবে।
প্রযুক্তি হতে প্রাপ্ত ফলন: সাধারণ পদ্ধতি অপেক্ষা ডগা কর্তন পদ্ধতিতে ফলন প্রায় ১৭.৫% এবং মুনাফা প্রায় ৩৩.০১% বৃদ্ধি পায়।
বৈশিষ্টমূহ :
• অগ্রভাগের ডগা কর্তনের মাধ্যমে মিষ্টিকুমড়ার ফলন বৃদ্ধি পায়।
• ডগার কর্তিত অংশ উচ্চ পুষ্টিমানের শাক হিসাবে ব্যবহার করা যায়।
• কৃষকরা স্বল্প পরিশ্রম ও স্বল্প খরচে পদ্ধতিটি ব্যবহার করতে পারে।
• পারিবারিক পুষ্টি চাহিদা পুরণ হয়।
প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন।
বিস্তারিত বিবরণ :
প্রযুক্তি ব্যবহারের তথ্য:
• পলিব্যাগে মিষ্টিকুমড়ার চারা করে ২০-২৫ দিন বয়সের চারা মাদায় (৫০×৫০×৫০ সে.মি.) স্থাপন করতে হবে।
• চারা ৮-১২ পাতা অবস্থায় প্রধান ডগার অগ্রভাগের অংশ (০.৫ ইঞ্চি) পরিমাণ ভেঙ্গে দিতে হবে।
• এ প্রক্রিয়া তৃতীয়বার পর্যন্ত করতে হবে যা ৩জি পদ্ধতি নামে পরিচিত।
• চারার বয়স ৪৫ দিন হলে অর্থাৎ প্রথম বার ফল ধারনের পর প্রতিটির ডগার ১০-১২ ইঞ্চি পরিমাণ (শাক খাওয়ার উপযোগী) কেটে নিতে হবে, যা পরবর্তীতে ডগার সংখ্যা বৃদ্ধি ও ফলের উৎপাদন বৃদ্ধি করবে।
প্রযুক্তি হতে প্রাপ্ত ফলন: সাধারণ পদ্ধতি অপেক্ষা ডগা কর্তন পদ্ধতিতে ফলন প্রায় ১৭.৫% এবং মুনাফা প্রায় ৩৩.০১% বৃদ্ধি পায়।
বৈশিষ্টমূহ :
• অগ্রভাগের ডগা কর্তনের মাধ্যমে মিষ্টিকুমড়ার ফলন বৃদ্ধি পায়।
• ডগার কর্তিত অংশ উচ্চ পুষ্টিমানের শাক হিসাবে ব্যবহার করা যায়।
• কৃষকরা স্বল্প পরিশ্রম ও স্বল্প খরচে পদ্ধতিটি ব্যবহার করতে পারে।
• পারিবারিক পুষ্টি চাহিদা পুরণ হয়।
প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন।