Back  

প্রযুক্তির বিবরণ

প্রযুক্তির নাম :হাইব্রিড ভূট্টা মানের বীজ উৎপাদনের জন্য সেচ ব্যবস্থাপনা

বিস্তারিত বিবরণ : 
প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্যসমূহ
১. ভূট্টায় আশানুরুপ ফলন পেতে হলে বাংলাদেশের আবহাওয়ায় এলাকাভেদে ৩ থেকে ৪টি সেচ প্রয়োগ অত্যাবশ্যক।
২. মাটির প্রকারভেদে নিয়ন্ত্রিত প্লাবন প্রচলিত ফারো বা অল্টারনেট ফারো বা স্প্রিংলার পদ্ধতিতে সেচ দেয়া যেতে পারে।
৩. বীজ বপনের ২০-২৫ দিনের মধ্যে (৪-৬ পাতা পর্যায়) প্রথম সেচ দিতে হবে।
৪. বীজ বপনের ৩৫-৪০ দিনের মধ্যে (৮-১২ পাতা পর্যায়) দ্বিতীয় সেচ দিতে হবে।
৫. বীজ বপনের ৭০-৭৫ দিনের মধ্যে (মোচা বের হওয়া পর্যায়) তৃতীয় সেচ দিতে হবে।
৬. বীজ বপনের ৯০-১০০ দিনের মধ্যে (দানা বাঁধার আগের পর্যায়) চতুর্থ সেচ দিতে হবে।
৭. সেচের পানি বাষ্পায়ন জনিত অপচয় রোধকল্পে ফসলের জমিতে সেচ সাধারণত সকালে অথবা বিকালে প্রয়োগ করতে হবে। তাছাড়া প্রচন্ড তাপমাত্রার রৌদ্রের সময় যাতে ফসলের জমিতে সেচ না দেওয়া হয় সেদিকে সতর্ক অবলম্বন করা উচিত।
৮. ভূট্টার ফুল ফোটা ও দানা বাঁধার সময় কোন ক্রমেই জমিতে যাতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

হাইব্রিড ভূট্টা ছবি-১

হাইব্রিড ভূট্টা ছবি-২


প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন।
 
Back